Breaking

Post Top Ad

Your Ad Spot

Friday, December 30, 2016

১৩ বছর আটকে রেখে যুবতীকে যৌন অত্যাচার, বাচ্চা বিক্রি করে সংসার চলত ধর্ষকের!

অ্যানা নামের ছোট্ট মেয়েটিকে ঠাকুমার কাছে
রেখে চলে যায় বাবা-মা। কোনও খোঁজ নেয়নি
কখনও। ঠাকুমার কাছে অ্যানার বড় হওয়া। ১৫
বছর বয়সে সেই ঠাকুমাও দুনিয়া থেকে বিদায়
নেন।
আর সেই সময়ে অ্যানা মানসিকভাবে বিধ্বস্ত,
তখন তার আলাপ হয় ট্যাক্সি ড্রাইভার
মালিকের সঙ্গে। মালিক বাড়িতে চা খাওয়ার
জন্য আমন্ত্রণ জানায় অ্যানাকে। সেদিন চা
খাওয়ানোর পর মালিক তাকে রাত্রিটা থেকেই
যেতে বলে।
মালিকের মা-ভাই-বৌদিদের সঙ্গে সময়
কাটানোর লোভে অ্যানা সেই রাত্রি থেকেই
যায় মালিকের বাড়িতে।
আর মালিকের বাড়ি থেকে ছাড়া পায়নি অ্যানা।
পরের ১৩ বছর ধরে তাকে আটকে রাখে মালিক।
সঙ্গে চালাতে থাকে যৌন অত্যাচার। বাড়িতে
বাইরের লোক এলে, তাদের সঙ্গেও অ্যানাকে
শুতে বাধ্য করে মালিক। শারীরিক অত্যাচার
চালায় সে।
অ্যানার কথায়, ‘প্রথম প্রথম অনেক কান্না
করতাম। তার পরে আর কান্না আসতো না।
সয়ে গিয়েছিল বোধহয়। বাড়ির কেউই প্রতিবাদ
করত না মালিকের এই অত্যাচারের।’
মালিক অ্যানাকে বাড়ির বাইরে নিয়ে যেত
একমাত্র অ্যানার আঘাত গুরুতর হলে।
হাসপাতালে ডাক্তার দেখানোর জন্য।
আর যথন অ্যানা গর্ভবতী হত। অ্যানার স্বামী
সেজে হাসপাতালে যেত মালিক। মালিকের
ধর্ষণেই চারবার গর্ভবতী হয়েছে অ্যানা। কিন্তু
চারবারই সেই সন্তানদের বিক্রি করে মোটা
টাকা কামায় মালিক।
অনেকবার পালানোর চেষ্টা করেও পালাতে
ব্যর্থ হয় অ্যানা। অবশেষে একদিন সুযোগ পেয়ে
মালিকের বাড়ি থেকে পালিয়ে পুলিশের কাছে যায়
সে। থানাতেও মালিক নিজের পরিচয় দেয়
অ্যানার স্বামী বলে। আর বলে তার স্ত্রী
মানসিকভাবে অসুস্থ।
কিন্তু অ্যানার কথা বিশ্বাস করে পুলিশ
মালিককে গ্রেফতার করে।
ব্রিটেনের মিডল্যান্ডের বাসিন্দা অ্যানার বয়স
এখন ৪৪। মুক্ত হয়ে তিনি ছোটবেলার প্রথম
প্রেমিক জ্যামির সঙ্গে ঘর বেঁধেছেন। তাঁদের
এখন চার সন্তান। সুখী জীবন। সম্প্রতি
প্রকাশিত একটি বইয়ে অ্যানা তাঁর জীবনের এই
ভয়ংকর ঘটনা লিখেছেন।

Post Top Ad

Your Ad Spot

Pages